ঢাকার কেরাণীগঞ্জে প্রায় ২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা মূল্যমানের ৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ
ঢাকার কেরাণীগঞ্জে প্রায় ২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা মূল্যমানের ৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকার কেরাণীগঞ্জে প্রায় ২ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা মূল্যমানের ৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ এবং মাদক বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল জব্দ
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্যের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষার লক্ষ্যে র্যাবের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে *গতকাল ১৩/০৩/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২১.১০ ঘটিকার সময়* র্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের এর একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনা করে মাদক উদ্ধার ও মাদক চক্রের ০২ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-১০, সিপিসি-১ যাত্রাবাড়ী ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল *গতকাল ১৩/০৩/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২১.১০ ঘটিকার* সময় *ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন আব্দুল্লাহপুর বাসস্ট্যন্ড এলাকায়* অভিযান পরিচালনা করে *আনুমানিক ২,৫২,০০০/-(দুই লক্ষ বায়ান্ন হাজার) টাকা মূল্যমানের ৬৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ০২ জন* মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয়ের নাম ১। *মো: আবু বকর সিদ্দিক পিলটন (৪০),* পিতা- মৃত আব্দুর রহিম, সাং- আমবাগান, থানা- ঈশ্বরদী, জেলা- পাবনা ও ২। *মো: তরিকুল ইসলাম (৩২),* পিতা- মো: জাহাবক্স, সাং- ডাকাতিয়া, থানা- মহেশপুর, জেলা- ঝিনাইদহ বলে জানা যায়।
প্রকাশ থাকে যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তারা বেশ কিছুদিন যাবৎ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা হতে অবৈধভাবে ফেনসিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে অভিনব পন্থায় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। উদ্ধারকৃত মাদক ও মাদক বহনে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলসহ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদক সমাজের সবচেয়ে ভয়াবহ বিষফোঁড়া। এটি আমাদের যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, পরিবারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। র্যাব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, “মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স” নীতির বাস্তবায়ন ছাড়া সমাজে শান্তি ও উন্নয়ন সম্ভব নয়। র্যাব-১০ মাদক নির্মূল অভিযানে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স